দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাসিবুল হাসানের কাছে অভিযোগ তুলে ধরেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনার পর ইউএনও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে ইতোমধ্যে দুই দফা সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। এতে অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
পরে বিষয়টি আরও যাচাই-বাছাই ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুবেদ সরকারকে আহ্বায়ক, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সৈয়দ আজমল হোসেনকে সদস্য সচিব এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও একাডেমিক সুপারভাইজারকে সদস্য করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে চার কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
ইউএনও বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা উপজেলা পরিষদ চত্বর ত্যাগ করে।
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমান। তদন্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ইউএনওর কাজ ইউএনও করবেন, আর আমি আমার কাজ করব।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউএনও মো. হাসিবুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সব টাকা ব্যাংকে জমা রাখার কথা। সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের বিধান রয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষক নিয়মনীতি অনুসরণ না করে একক স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা ব্যাংকে জমা না রেখে নিজের ইচ্ছামতো খরচ করেছেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে ভয়াবহ দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এরপর প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রচলিত বিধি মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই